ঘন হচ্ছে অন্ধকার, ঘনতর অনিশ্চয়তা!
প্রশ্ন তুললেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদের চেয়ারম্যান সামিরুল ইসলাম। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর শনিবারের পোস্ট ঘিরে আরও ঘন হয়ে উঠল দুশ্চিন্তা।

উত্তরকাশীর ভয়ঙ্কর বিপর্যয় কি কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন সরকারের নিদ্রাভঙ্গের পক্ষে যথেষ্ট কারণ নয়? সাংসদ সামিরুল ইসলামের পোস্ট থেকে এই জিজ্ঞাসা তীব্র সূচিমুখ খুঁজে পাচ্ছে। তবে তা শাসকের ‘শৌখিন বিলাসে’ বিন্দুমাত্র ব্যাঘাত তৈরি করবে কি? সংশয়ে বিরোধীরা।

সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের আর্তি আর তাঁদের পরিবারের অসহায় কাকুতিতেও যখন সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার গরজ দেখায়নি কেন্দ্র, তখন পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদের চেয়ারম্যানের সপ্রশ্ন উদ্বেগ বিশ্বকাপ-বিমোহিত প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিচলিত করবে কিনা, নিশ্চিত করে বলা মুশকিল—মনে করছেন প্রান্তিক দেশবাসীর বড় অংশ।

আহমেদাবাদের মাটির উপর ‘স্বনামধন্য’ স্টেডিয়ামের চোখ ধাঁধানো আলোর অনুকূলে যে দেশপ্রেম, উত্তরকাশীর মাটির নীচে পোকামাকড়ের মতো পিষে মারতে চাওয়া আগ্রাসী অন্ধকারের বিপরীতে সেই দেশপ্রেম নেই বুঝি!
বিস্ময়কর, কিন্তু বাস্তব।
