ব্যাংক অ্যাকাউন্টে clue দেখছে সিবিআই!
ইডি ডেকেছে ১২ বার। রাজ্যের আইনমন্ত্রী হাজিরা দিয়েছেন ১ বার! ঘটনায় দিন কয়েক আগেই প্রভূত বিস্ময় প্রকাশ করেছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। রক্ষাকবচ সম্পর্কিত মামলায় বিস্ময়ের পাশাপাশি মন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) খালি হাতে ফিরিয়েছেন বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা রায়। বর্তমানে কয়লা পাচারকাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের এড়িয়ে যাওয়া আর সম্ভব নয় আইনমন্ত্রীর পক্ষে।
এমতাবস্থায় সিবিআইয়ের স্ক্যানারে মলয় ঘটকের আর্থিক গতিবিধি। আইনমন্ত্রী ও তাঁর আত্মীয়, এমনকি ঘনিষ্ঠদেরও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা৷ একাধিক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে মলয় ঘটক ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের। সমস্ত অ্যাকাউন্টের আগাগোড়া হিসেব চেয়েছে সিবিআই। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এক্ষেত্রে সময় পাচ্ছে এ’মাসের ১৩ তারিখ পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম (Jafikul Islam) ও ২ তৃণমূল কাউন্সিলরের ঠিকানায় হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাফিকুল ইসলামকে জেরার পর তল্লাশিতে ২৮ লক্ষের উপর টাকা ও ১০ লক্ষাধিক বাজারমূল্যের গয়না বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত (Bappaditya Dasgupta) ও দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে গিয়েছেন গোয়েন্দারা। ঠিক তার পরের দিনই রাজ্যের আইনমন্ত্রীর বিষয়ে সক্রিয় হয়ে উঠল সিবিআই। তৃণমূলের অভিযোগ, বাংলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনের পরপরই এজেন্সির তৎপরতা প্রতিহিংসার রাজনীতি ছাড়া আর কিছু নয়। তবে অনুমান, খুব শীঘ্রই বড় কোনও পদক্ষেপের আগে আটঘাট বাঁধছে সিবিআই।
