প্রতিবেদক:-তারিক আনোয়ার
আন্তর্জাতিক শিল্পের আঙিনায় আত্মপ্রকাশ ডেউচা পাঁচামির। আন্তর্জাতিক শিল্প মানচিত্রে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা খনি হিসাবে নাম জুড়ল দেউচা পাঁচামির।কলকাতা বিশ্ববঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেউচা পাঁচামির কাজ শুরুর ঘোষণা করেছিলেন আর পরদিন সম্মেলনের সমাপ্তির দিন বৃহস্পতিবার দেউচার চাঁদা মৌজায় ১২একর সরকারি জমিতে কাজ শুরু হয়। ভূমি পুজোর মাধ্যমে কাজ শুরু হল।

রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, জেলাশাসক বিধান রায়, জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ সহ পুলিস-প্রশাসনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।আশা আকাঙ্খা আবেগ দাবী সব মিলিয়ে দেউচা স্থানীয় মানুষদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। যথেষ্ঠ উচ্ছসিত তারা। এখানকার জমিদাতারা ইতিমধ্যেই সরকারি প্যাকেজের সুবিধা পেয়েছেন।অনেকেই চাকরি পেয়েছেন অনেকেই আবার চাকরির জন্য অপেক্ষা করছেন। তাদের মধ্যে একটাই প্রশ্ন তারা কবে চাকরি পাবে। তাই দেউচা পাচামি নিয়ে স্থানীয় মানুষের সেই অর্থে কোন আক্ষেপ নেই।

যেটুকু ক্ষোভ রয়েছে তা হল সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী কবে মিলবে বাকিদের চাকরি। সেটাই তারা বার বার জানতে চেয়েছেন জেলাশাসক বিধান রায়ের কাছে। জেলাশাসক জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দিয়েছেন সেই প্রতিশ্রূতির রক্ষা করা হবে। সবার কর্মস্ংস্থান হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন স্থানীয়রাই ব্যাসল্ট মাইনিংয়ে কাজ করবেন। প্রথম পর্বের কাজ আন্ডারগ্রাউন্ড হবে। জল, জমি ও জঙ্গলও নষ্ট হবে না। কোনও উচ্ছেদ হচ্ছে না। গাছগুলি স্থানান্তরিত করা হবে।

ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের নেতা লক্ষ্মীরান হেমব্রম বলেন, প্রতিটি জায়গায় শিল্পের দরকার আছে। আমরাও শিল্প চাই। সকলে যেন ন্যায্য চাকরি পান। একজন আদিবাসীও যেন বঞ্চিত না হন। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ভূমিপুজো হয়ে গিয়েছে। এখানকার সব মানুষ কাজ পাবেন। প্যাকেজে যা আছে সব পাবেন। একই আশ্বাস শোনা যায় রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের কথাতেও।
