New Delhi Station Stamped
প্রয়াগের কুম্ভতে পূর্ণ্য় করার আশায় নতুন দিল্লি স্টেশন থেকে কুম্ভ মেলায় পাড়ি দিতে চেয়েছিলেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ কুম্ভের পথে পা বাড়িয়েছেন। আসলে দেশের রাষ্ট্রপতি উপরাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী অন্যদিকে দেশের প্রথম সারির শিল্পপতি থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রের তারকারা সকলেই প্রয়াগের ত্রিবেনী সঙ্গমে ডুব দিয়ে পূর্ণ্য অর্জন করেছেন। তাই চলো কুম্ভে মগ্ন জনতা। কিন্তু এই জনতাকে সামাল দেওয়ার তেমন রূপরেখা ঠিক করতে পারেনি সরকার। তাই একের পর এক দুর্ঘটনা মৃত্যু কুম্ভের নিত্যাদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে।
ছবি, সৌজন্য় এক্স হ্যান্ডেল

সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হল নতুন দিল্লী স্টেশনের নাম। দেশের রাজধানী যেখান থেকে গোটা দেশ পরিচালিত হচ্ছে সেখানেই নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নেই। নতুন দিল্লি স্টেশনে রাত দশ টা নাগাদ ভয়হ্কর এই ঘটনা ঘটে। রেলমন্ত্রক প্রথমে গুজব বলে উড়িয়ে দেয়। পরে ভয়ঙ্কর সত্য় সামনে উঠে আসে । সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে পদপিষ্ট হয়ে মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১১ জন মহিলা ৫ জন শিশু ও একজন ৭৯ বয়সের প্রবীণ নাগরিক আছেন।

জানা গেছে একদিকে ট্রেন সময় মতো আসেনিু অন্যদিকে ট্রেন ধরার জন্য শুধুমাত্র ১৫ হাজার জেলারেল টিকিট বিুক্রি হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবে প্রবল ভিড়ের চাপে পদপিষ্টে্র ঘটনা ঘটে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যাত্রীরা নয়াদিল্লি স্টেশনের ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু প্রয়াগরাজ স্পেশাল ট্রেনটি ঢুকে পড়ে ১৬ নম্বর প্ল্য়াটফর্মে। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মের দিকে যেতে গিয়ে হুড়োহুড়িতেই ঘটে অঘটন।

মুুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির ঘটনাকে হৃদয়বিদারক বলেছেন। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘দিল্লিতে ১৮ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর হৃদয়বিদারক। এই ঘটনা আরও বেশি করে মনে করিয়ে দিল, নাগরিকদের সুরক্ষার প্রশ্নে সঠিক পরিকল্পনা এবং ব্যবস্থাপনা কতটা জরুরি। যাঁরা মহাকুম্ভে যাচ্ছেন, তাঁদের আরও উন্নত পরিষেবা পাওয়া উচিত। এই ধরনের যাত্রা যাতে নিরাপদে এবং সুসংহত ভাবে হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’

’
আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদবের ঘটনা বিতর্ক তৈরি হয়েছে এক সংবাদ মাধ্য়মকে তিনি বলছেন, ‘কুম্ভের কোনও মানেই হয় না। ফালতু কুম্ভ।’ পাশাপাশি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের পদত্যাগের দাবি করে বলেছেন ,‘রেলমন্ত্রীর উচিত গোটা ঘটনার দায় নিজের কাঁধে নেওয়া। রেলের অব্যবস্থার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।’
