EC refuses to accept Aadhaar card as proof of citizenship
মনিরুল হোসেন
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাসপোর্ট, জায়গা জমি রেজিস্ট্রি, এলআইসির পলিসি, মৃত্যুর সার্টিফিকেট, হাসপাতলে ভর্তি, রেল বিমানের টিকিট, স্কুল কলেজে ভর্তি, মোবাইলের সিম থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যেকোনো পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে যাবতীয় কাজ যে কোন বিষয়ে আধার কার্ডকেই প্রধান প্রমান্য নথি হিসেবে ধরা হয়। অথচ নির্বাচন কমিশনের কাছে এই আধার কার্ডের কোন মূল্য নেই। তাদের যুক্তি এটা প্রমাণ করে না যে আপনি ভারতীয় নাগরিক।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বিহারের ভোটার তালিকায় বিশেষ সমীক্ষা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে এই যুক্তি তুলে ধরল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবি।বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সময় যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে সেগুলি হল।
নির্বাচন কমিশন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আগামী দিনে প্রমাণপত্রের যে তালিকা তৈরি করেছে, সেই তালিকা থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভোটার ও আধার কার্ডকেই বাদ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতিরাই।
বিচারপতিদের প্রশ্ন জন প্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী প্রমাণপত্র হিসেবে আধার কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি তাহলে কেন নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করতে চাইছে না। বিচারপতিদের এই প্রশ্নের উত্তরে কমিশনের আইনজীবী রাকেশ ত্রিবেদী বলেন ধার ৩০৬ অনুসারে কমিশনের এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার রয়েছে। পাল্টা বিচারপতিরা পরিষ্কার জানিয়ে দেন নাগরিকত্ব কোনোভাবেই নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এটা সম্পূর্ণভাবেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন।
হঠাৎ করে বিহার নির্বাচনের কয়েক মাস আগে বিহারে এই বিশেষ সমীক্ষা চালানো নিয়েও বিচারপতিদের প্রশ্নের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণের কাজ স্থগিত করতে বলেননি তবে তাদের অভিমত এই জটিল কাজটা অনেক আগে শুরু করা উচিত ছিল। পাশাপাশি আধার কার্ড ভোটার কার্ড ও রেশন কার্ড কে পরিচয় পত্র হিসেবে গ্রহণ করার জন্য ডিভিশন বেঞ্চ।
