ধারা বিলোপে সিলমোহর শীর্ষ আদালতের
‘জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ অসাংবিধানিক নয়।’ জানাল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সাংবিধানিক বেঞ্চ। ৪ বছর আগে জম্মু ও কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল হয়। তাকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক পিটিশন জমা পড়ে শীর্ষ আদালতে। সেইসব পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ, সোমবার, এই রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ (Constitutional Bench)। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (CJI DY Chandrachud) নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সূর্য কান্ত।

নির্বাচন কমিশনকে ৫ বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এর মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও বলেছে যে, জম্মু ও কাশ্মীরের সংবিধানে সার্বভৌমত্বের উল্লেখ অনুপস্থিত। ভোটের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরকে অঙ্গরাজ্য হিসেবে আগের জায়গায় পুনঃস্থাপিত করা এখন আশুকর্তব্য। লাদাখ থাকবে কেন্দ্রের শাসনে।
সরকার পক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরমন এবং সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করার যুক্তি দিয়ে বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার ক্ষেত্রে কোনও ‘সাংবিধানিক জালিয়াতি’ ছিল না। এক্ষেত্রে তাঁরা বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরই একমাত্র রাজ্য নয়, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময়, অপর অনেক রাজ্যও শর্তসাপেক্ষে ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে নিজেদের যোগ করেছিল।
কেন্দ্রীয় সরকার ৩৭০ ধারা বাতিল করার স্বপক্ষে বলে, এটি বতিলের ফলে পূর্বের সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের কার্যকলাপ ক্রমে হ্রাস পেয়েছে। ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর থেকে সেখানে শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির ছবি দেখা যাচ্ছে।
সোমবার প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ‘যেহেতু সংবিধানের ৩৭০ ধারা অস্থায়ী ছিল, তাই রাষ্ট্রপতির তা বাতিল করার সম্পূর্ণ অধিকার আছে।’
