সকাল ১০.২৩: প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে সঞ্জয়কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আদালতে।
সকাল ১০.৪০: শিয়ালদহ আদালতে ঢুকল সঞ্জয়ের প্রিজন ভ্যান।
দুপুর ১২.১৯: ২১০ নম্বর আদালত কক্ষে এলেন সঞ্জয়ের আইনজীবী।
দুপুর ১২.৩৩: আদালত কক্ষে এলেন সিবিআই ও নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী।
দুপুর ১২.৩৭: আদালতে কক্ষে প্রবেশ করলেন বিচারপতি অনির্বাণ দাস।
দুপুর ১২.৪২: কাঠগড়ায় আনা হয় সঞ্জয় রায়কে। শুনানি শুরু হয়।
দুপুর ১২.৪৫: বিচারক বলেন, “আপনাকে কাল বলেছিলাম আপনার বিরুদ্ধে চার্জ আনা হয়েছিল। এসব চার্জ প্রমাণিত হয়েছে।”
দুপুর ১২.৪৬: কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে সঞ্জয় বলে, “আমি কিছু করিনি। সব কিছু সবাই দেখছে। আগের দিন বলেছি। আমাকে অত্যাচার করা হয়েছে। আমি এসব কিছুই জানতাম না। আমার গলায় রুদ্রাক্ষের মালা ছিল। তাহলে সেটি নষ্ট হয়ে যেত। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। জোর করে বয়ানে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে। লেখাচ্ছে। যা বলছে তাই করেছি। সিবিআই গাড়ি করে নিয়ে যায়। শারীরিক পরীক্ষা হয়নি। পুরোপুরি ফাঁসানো হয়েছে।”
দুপুর ১২.৪৮: বিচারক বলেন, “আমি ৩ ঘন্টা সময় দিয়েছি শোনার জন্য। যা যা প্রমাণ এসেছে, আপনার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমার কাছে যা যা এসেছে তার উপর ভিত্তি করে আমি বিচার করতে পারি। আপনি যা বলেছেন সব রেকর্ডেড। আমার মনে হয়েছে সব সঠিক। আমি জানাতে চেয়েছি শাস্তির বিষয়ে। আপনার বাড়িতে কে আছে? বাড়ির লোক যোগাযোগ করেছে?”
উত্তরে সঞ্জয় জানায়, কেউ যোগাযোগ করেনি। সে জানায়, “পুলিশ বারাকে থাকতাম। মায়ের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।” বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি সঞ্জয়ের। ফের বলে, “আমি কিছু করিনি স্যার। আমাকে দোষী প্রমাণিত করা হয়েছে।”
দুপুর ১২.৫০: সিবিআই আইনজীবি বলেন সারা দেশে আলোড়ন ফেলেছে এই ঘটনা। সেবার জন্য যিনি কাজ করছিলেন, তাঁকে খুন করা হয়েছে। বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ। সঞ্জয়ের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানাচ্ছি।
দুপুর ১২.৫৫: সঞ্জয় রায়ের আইনজীবি বলেন, “মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে নই, সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে।”
দুপুর ১২.৫৮: বিচারক বলেন, “চিকিৎসকের মৃত্যু সমাজের বড় ক্ষতি।”
দুপুর ১.০১: কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলল সঞ্জয় রায়।
দুপুর ১.০৭: নির্যাতিতার আইনজীবীর আদালতে সওয়াল । বললেন, “সমস্ত অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। সঞ্জয় দোষী। সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
দুপুর ১.০৮: “সময় বেশি নেই। যা বলবেন সংক্ষেপে বলুন।” সঞ্জয়ের আইনজীবীকে বললেন বিচারক। ”
দুপুর ১.১১: বিকল্প শাস্তির আর্জি সঞ্জয়ের আইনজীবীর।
দুপুর ১.১৩: বিচারক বলেন, “এখন ঘর ফাঁকা করে দিন। রায় দিতে একটু কাজ করতে হবে। দুপুর ২.৪৫ মিনিটে আবার আসুন।”
দুপুর ১.৩৬: আদালত কক্ষ থেকে বেরলেন বিচারক।
দুপুর ২.৪৫ মিনিটে রায় ঘোষণা হবে করা হবে।
