চাকরিহারা যোগ্য অযোগ্য শিক্ষক থেকে করণিক মানবিক ভাবে পাশে দাঁড়ানোর পক্ষেই সায় মুখ্যমন্ত্রীর

CM on Teacher Requitment

নিজস্ব প্রতিবেদন :

শিক্ষক নিয়োগ থেকে করণিক নিয়োগে বার বার দুর্নীতির অভিযোগ। হাইকোর্ট থেকে সুপ্রীম কোর্ট পর্যন্ত অযোগ্যদের বাতিলের রায়। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোর্টের তীব্র সমালোচনার মুখে দাঁড়িয়েও চাকরিহারা শিক্ষকের পাশাপাশি অযোগ্যদের বিষয়ে রাজ্য সরকারের নরম মনোভাব বার বার প্রতিফলিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে কোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়ে যাওয়া শিক্ষকদের নতুন করে নিয়োগের পথ বাতলেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্যের মাঝে বলেন টিচারদের চাকরি চলে গেল-আমি মানসিকভাবে খুশি নই।”একই সঙ্গে তিনি জানান , যাঁরা যোগ্য তাঁদের জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, “যার যা বয়স তাঁরা তাতে অ্যাপ্লাই করতে পারবে। আমরা তাঁদের অ্যাডভান্টেজ দিয়েছি, পরীক্ষা দিয়ে তাতে যোগ্যরা স্বমহিমায় ফিরে আসতে পারে।২-৩ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবে।”

এরপর মুখ্যমন্ত্রী গ্রূপ সি ও গ্রূপ ডি পদে নিয়োগে বিষয়ে বলেন যাঁরা ১০-১২ বছর চাকরি করেছে, তাদের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে, তাদের কনসিডার করা হবে।”একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন “বেচারা টিচারিতে কাজ করেও আজ অযোগ্য। অযোগ্যদের জন্য আইনি আলোচনা করছি। টিচার হতে পারবে না-কোর্টের জন্য, গ্রুপ সিতে যাতে জায়গা পায়, তার জন্য আইনের সঙ্গে আলোচনা করে জানাব । আমরা মানবিকভাবে দেখি।“

এদিকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বসার জন্য দাগিরা যাতে বসার সুযোগ পায় সেই নিয়ে মামলা হয়েছিল।  ফের অযোগ্যদের মামলা বাতিল কলকাতা হাইকোর্টে। তবে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ সেই আর্জি খারিজ করে। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় অযোগ্যরা। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের রায়কেই বহাল রাখে।