পুত্ররা ‘অপগণ্ড’, উচিত শিক্ষা দিলেন গর্ভধারিণী

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে কী করণীয়? বহুশ্রুত প্রবাদের প্রশ্নটা যখন করাই হল, তখন সেখান থেকেই ধার করে উত্তর দেওয়া যায়—আঙুল বাঁকাতে হবে। হ্যাঁ, আঙুল বাঁকিয়েছেন এক বৃদ্ধা। আসলে কী করেছেন তিনি? আসুন, সবিস্তারে ঘটনাটা জেনে নিই।

বৃদ্ধার বয়স ৭৫। বিবাহবিচ্ছিন্না বহুকাল। একটা চাকরি করতেন। এখন অবসরে। বাড়িতে দুই ছেলে। দু’জনেরই বয়স ৪০ ছাড়িয়েছে। দু’জনই উপার্জন করেন, অর্থাৎ চাকুরিজীবী। কিন্তু সমস্যা হল, দুই ছেলের কেউই সংসারের কুটোটি পর্যন্ত নাড়তে নারাজ। ঘরবাড়ির দেখাশোনায় বয়স্কা মাকে কানাকড়ি ঠেকিয়েও সাহায্যের নাম নেই! পায়ের উপর পা তুলে এভাবেই দিব্যি চলছিল দিন।

#Mother

ছেলেদের বাবাবাছা করে অনেক বুঝিয়েছেন #বৃদ্ধা। এমনকি ওই #বাড়ি ছেড়ে নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই যাতে করে নেন অন্যত্র, সেই পরামর্শও দিয়েছেন তাঁদের। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। মায়ের কথায় আমলই দেননি ছেলেরা।

#Sons

#Selfishness

অগত্যা আইনের পথ বেছে নিলেন মা। একেবারে আদালতের #নির্দেশনামা হাতে ধরিয়ে বাড়ি থেকে বিদেয় করতে হচ্ছে দুই অবিবেচক সন্তানকে। এছাড়া আর উপায় কী!

#Judgement

আহা! এ তো আর কোনও বঙ্গীয় স্নেহান্ধ জননীর গল্প নয়। এ হল ইতালীয় মমের কঠোর কিসসা। সে-দেশের সংবাদ সংস্থা এএনএসএ (ANSA) জানাচ্ছে, উত্তর ইতালির #পাভিয়া জেলা আদালত (Pavia District Court) এই মর্মে নির্দেশ জারি করেছে যে, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই দুই সমর্থ সন্তানকে সত্তরোর্ধ্ব মায়ের আশ্রয় ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হবে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, আদালতের কাগজে ছেলেদের ‘পরজীবী’ (‘parasite’) বলে উল্লেখ করেছেন স্বয়ং গর্ভধারিণী!

#Italy

ভেকের খোকারা সাবধান! গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরেবেড়ানোর দিন শেষ হয়ে এলো। মাতৃস্নেহকে দুর্বলতা জ্ঞান করে যথেচ্ছাচারের অলস-নির্মম ট্র্যাডিশন এবার ধাক্কা খাওয়ার জোগাড়! বিশ্বায়নের বাজারে ইতালির হাওয়া কোন পথে কখন বঙ্গোপসাগরের উপকূলে আছড়ে পড়বে, কে বলতে পারে!