‘সভামঞ্চ ওহি বানায়েঙ্গে’?

মামলা অনুকূলে না গেলে বিজেপির ‘গোঁ’ ধরাই সার!

খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু সভাটা হবে কোথায়? নাকানিচোবানি খাচ্ছে সুকান্ত মজুমদারের দল। এমনিতেই কানাঘুষো, বাংলায় প্রভাব বিস্তার করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ, স্বার্থকোন্দলে মগ্ন রাজ্য ব্রিগেডের প্রতি বিরক্ত কেন্দ্রীয় গেরুয়া নেতৃত্ব। তার উপর এখন নাককান কাটা গেলে, আর দেখতে হবে না! অপদার্থতার ফিরিস্তি আরও লম্বা হবে। তিরস্কার নাচছে কপালে।

ধর্মতলায় জনসভা করার ক্ষেত্রে বিজেপিকে বরাবর বাধা দিয়ে এসেছে কলকাতা পুলিশ। সেক্ষেত্রে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। উচ্চ আদালত সবুজ সংকেতও দিয়েছিল। কেবল পুলিশের আপত্তি নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা। এর মধ্যে রাজ্য চলে গেল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানে শুনানি হবে পরে, তার আগে কলকাতা পুলিশের আপত্তি সম্পর্কিত শুনানিটি বুধবার স্থগিত রাখলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এখন বৃহস্পতিবার পুলিশের ওজর-আপত্তি নাকচ করে, তিনি যদি বিজেপির অনুকূলে নির্দেশ দেনও, প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলার রায় কী হবে?

শুরুতেই জনসভার জায়গা বদলালে এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু সেটা করলে, কার্যত রাজ্যের শাসকদলের নৈতিক জয় সুনিশ্চিত হয়ে যেত। আবার জায়গা না বদলে, ধর্মতলাতে জনসভা করার ‘গোঁ’ ধরলে, মামলার ঝক্কি পোয়াতেই হবে। পুরো শাঁখের করাত দশা রাজ্য বিজেপির!

Cover Image:  calcutta high court | Avrajyoti Mitra – Flickr