শত্রুর হাত থেকে বাঁচতে অভিনব ডেরা!
দ্রুত পাল্টাচ্ছে পৃথিবীর জলবায়ু। ততোধিক দ্রুততায় বিপন্ন হচ্ছে নানা প্রজাতির প্রাণ। বিপদের গতি ‘ততোধিক’ এই কারণে যে, জলবায়ুর পরিবর্তন ছাড়াও রয়েছে আন্তঃপ্রজাতি সংগ্রামের আপদ। অকল্যান্ড বিমানবন্দরের সামনে দাঁড়িয়ে বন্যপ্রাণ ব্যবস্থাপক (Wildlife Manager) লুসি হলি (Lucy Hawley) বোঝাচ্ছিলেন এক কিউই সাংবাদিককে। বিষয়টা খোলসা করতে রানওয়ের পাশের ঘাসজমির দৃষ্টান্ত দিলেন লুসি। সেদিকে তাকিয়ে তো চক্ষু ছানাবড়া সাংবাদিকের!

#Bird #পাখি #নীড় #Nest
অকল্যান্ড বিমানবন্দরের ট্যাক্সিওয়ের দু’পাশে যে ঘাসজমি, সেখানে বাসা বেঁধেছে ৮টি ডটেরেল (Dotterel) পাখি! সুন্দর এই খুদে পাখিরা নিউজিল্যান্ডে টুটুরিহাটু (Tuturiwhatu) নামে অধিক পরিচিত। কিন্তু প্রশ্ন হল, ওখানে কেন ওরা?
#NewZealand
#নিউজিল্যান্ড
#অকল্যান্ড_বিমানবন্দর
#AucklandAirport
লুসি হলির ব্যাখ্যা, অকল্যান্ড বিমানবন্দরের রানওয়ে ঘিরে রেখেছে কাঁটার উঁচু বেড়া। সেটাই ওখানকার ঘাসজমিতে ডটেরেলদের বাসা বাঁধার মূল কারণ। কেননা, উঁচু বেড়ার কাঁটাতার আসলে শিকারী পাখির হাত থেকে ওদের রক্ষা করছে। বিমানের গর্জন যদিও জীবনযাপনের পক্ষে প্রতিকূল, তবু বৃহত্তর বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেতে ওইটুকু অসুবিধার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছে ছোট্ট পাখিগুলি।
#Species
#প্রজাতি
#বন্যপ্রাণ
#Wildlife
রানওয়ে ঘেঁষা ঘাসজমিতে অল্প অল্প করে বাড়ছে নিউজিল্যান্ডীয় বিরল পাখির সংসার। বাড়ছে ওদের ঘিরে মানুষের আগ্রহ-কৌতূহল—সুন্দরেরও এত জীবনসংগ্রাম! না, বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। বরং সৃষ্টির নির্মম নিয়মে কথাটা হওয়া উচিত—সুন্দরের জন্যই এই সংগ্রাম। স্বাভাবিক এবং অনন্যোপায়।
