Conditional bail for Abhijit Deepak of the ‘Cockroach Janata Party’
দিল্লিতে ককরোজ জনতা পার্টির (সিজিপি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান অভিজিৎ দীপকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী স্বচ্ছতার দাবিতে এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাঁকে আটক ও গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। শনিবার আদালতের নির্দেশে তিনি জামিনে মুক্ত হন।
ঠিক কী ঘটেছিল শুক্রবার?
- ‘লেহরা দো তিরাঙ্গা’ মার্চ: গত শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরাঙ্গা’ (জাতীয় পতাকা উত্তোলন) মার্চের ডাক দিয়েছিল ককরোজ জনতা পার্টি। কিন্তু দিল্লি পুলিশ আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সেই মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং নোটিশ পাঠায়।
- পুলিশের আটক করা: জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি-এসসিপি) মুখপাত্র আনিশ গাওয়ান্ডের করোলবাগের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরই পুলিশ অভিজিৎ দীপকে আটক করে।
- গ্রেফতার ও জামিন: পুলিশ তাঁকে প্রথমে আটক এবং পরে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ এবং ১৭০ ধারায় শান্তিভঙ্গ রোধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে শনিবার আদালতের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে এবং ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখার শর্তে তিনি মন্দির মার্গ থানা থেকে জামিনে মুক্ত হন।
অন্যান্য নেতাদের বর্তমান পরিস্থিতি
- অভিজিতের প্রতিক্রিয়া: দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টা ফোন ও ইন্টারনেট ছাড়াই জেলবন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়ে তিনি এক্স -এ বলিউড সিনেমা ‘বীর-জারা’-র একটি ছবি শেয়ার করে মজার ছলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
- অন্যান্যদের আটক: সিজিপি প্রধান ছাড়াও এই আন্দোলনে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোড়াকেও আটক করা হয়েছিল। তবে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে শনিবার সকালেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
- অন্যান্য নেতাকর্মী: যন্তর মন্তর এলাকাটি প্রতিবাদের জায়গা হিসেবে বাতিল থাকা সত্ত্বেও সেখানে প্রবেশ করার অভিযোগে সিজিপি-র অন্য দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সরব হয়েছেন এবং “জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়” বলে এই প্রতিবাদের সমর্থনে একাধিক রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠন একসঙ্গে আওয়াজ তুলেছে।
