বৃষ্টিতে নদীর জল বাড়ায় ভেঙে গিয়েছিল দ্বারকা নদের অস্থায়ী কজওয়ে। যাতায়াতে * সমস্যা হচ্ছিল। এ দিন অস্থায়ী কজওয়েটি সংস্কার করল তালবাঁধ অ্যাসোসিয়েশন গত বছর দ্বারকা নদের স্থায়ী কজওয়েতে ফাটল দেখা দিলে কজওয়েতে ওপর ভারী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে হিংলো পঞ্চায়েত।
পাশে সেতুর কাজও বন্ধ হয়ে আছে। তাই অ্যাসোসিয়েশন ভাঙা কজওয়ের পাশেই আরও একটি অস্থায়ী কজওয়ে বানায়। সেই কজওয়েটিও ভেঙে গিয়েছিল। এই রাস্তাটি পাঁচামি পাথর শিল্পাঞ্চল থেকে হরিণশিঙা ও পচ্চনপুর হয়ে রায়পুর বাস স্ট্যান্ডে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে মিশেছে।
এ রাস্তা দিয়ে প্রতি দিন অনেক গাড়ি যাতায়াত করে। চন্দ্রপুর, নিশ্চিন্তপুর, হরিণশিঙা ও জগৎপুর-সহ প্রায় ২০-২২টি গ্রামের যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা এটি। তালবাঁধ অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সন্তু মণ্ডল বলেন, “নতুন সেতুর কাজ বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে অ্যাসোসিয়েশন ও স্থানীয় ক্রাশার খাদান মালিকদের সহযোগিতায় অস্থায়ী কজওয়ে সংস্কার করেই কাজ চালাতে হচ্ছে।”
মহম্মদবাজার পঞ্চায়েত। সমিতির সভাপতি প্রভাসিনী মুর্মু বলেন, “জেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি। জমি মালিকদের নিয়েও আলোচনা হয়েছে। খুব দ্রুত সেতুর বাকি কাজ শুরু হবে।