Allahabad High Court strongly condemns police brutality
নিজস্ব প্রতিবেদন
বেআইনিভাবে আটক ও গ্রেফতারির ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের নয়ডা পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কড়া ভাষায় পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে জানিয়েছে, “আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত।” সেই সঙ্গে আদালত মন্তব্য করে যে, রাজ্যের পুলিশের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় এবং পুলিশ আধিকারিকরা মনে করেন তাঁরা আইন ভেঙেও পার পেয়ে যাবেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ: গৌতম বুদ্ধ নগরের বাসিন্দা দীপক একটি হেবিয়াস কর্পাস (Habeas Corpus) বা বন্দি প্রত্যতীর মামলা দায়ের করেছিলেন। গত ২৩ আগস্ট দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের একটি ঘটনা ঘটে। পুলিশি নথিপত্র অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS)-এর ১২৬, ১৩৫ এবং ১৭০ ধারায় দীপক সহ পাঁচজনকে ২৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৭:৩৪ মিনিটে হেফাজতে নেওয়া হয়।
অথচ, শিব রাম শর্মার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দিনই রাত ৯:৩৯ মিনিটে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়। অর্থাৎ, এফআইআর নথিভুক্ত হওয়ার আগেই দীপক পুলিশের হেফাজতে ছিলেন এবং পরবর্তীতে তাঁকে ওই এফআইআরেই গ্রেফতার দেখানো হয়। এমনকি, গ্রেফতারির সময় ধৃতদের পছন্দমতো আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার আইনি অধিকারের বিষয়েও পুলিশ কিছু জানায়নি।
হাইকোর্টের কড়া পদক্ষেপ: বিচারপতি অতুল শ্রীধরন ও বিচারপতি অচল সচদেবের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালত লক্ষ্য করে যে, ২৪ আগস্ট কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষ থেকে নোটিশ জারি করা হলেও, তার আগেই ২৩ আগস্ট থেকে দীপককে আটকে রাখা হয়েছিল। এছাড়া জামিন বন্ডের প্রক্রিয়া নথিবদ্ধ করার ক্ষেত্রেও ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ে।
মামলার শুনানিতে আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে হেবিয়াস কর্পাস পিটিশনটি মঞ্জুর করে এবং দীপককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। বিচারপতির বেঞ্চ পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে, পরবর্তীকালে রিমান্ড অর্ডার পাস হয়ে গেলেই কোনো বেআইনি গ্রেফতারি বৈধ হয়ে যায় না
